আপডেট : ১৮ এপ্রিল, ২০১৬ ১৬:৫০

‘ললনারা দৌঁড়ান দিলে, বখাটেদের রেহাই নাই’

অনলাইন ডেস্ক
‘ললনারা দৌঁড়ান দিলে, বখাটেদের রেহাই নাই’

জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী মাকসুদুল হকের পহেলা বৈশাখ নিয়ে কালজয়ী গান ‘মেলায় যাই রে’র একটি শব্দ নিয়ে বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে যখন সবাই ব্যস্ত, তখন  জাতীয় জাদুঘরের সামনে দেখা গেল একটি ভিন্ন দৃশ্য। চারজন তরুণ সেখানে তিনটি প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন অন্যরকম একটি দাবি নিয়ে। তারা ফিডব্যাককে তাদের ‘মেলায় যাই রে’ গানটির আপত্তিজনক একটি চরণ পরিবর্তনের অনুরোধ করেছেন।

‘বখাটে ছেলের ভিড়ে ললনাদের রেহাই নাই’- বাক্যের ‘বখাটে’ শব্দটির পরিবর্তনের দাবি করেছেন তারা। এরপরে বিভিন্ন মহল থেকে একই দাবি জানানো হয়েছে।

অবশেষে এ নিয়ে নিজের মত জানিয়েছেন গানটির রচয়িতা ও গায়ক মাকসুদুল হক। সোমবার (১৮ এপ্রিল) এ প্রসঙ্গে নিজের ফেসবুকে একটি লেখা পোস্ট করেছেন তিনি।

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মাকসুদ লিখেছেন, “…১৯৮৮ সালে  গানটি লেখার সময় এই শব্দ ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছিলাম। কারণ ভদ্র ভাষায় এই সব কুলাঙ্গার  দানবদের  শনাক্ত করতে এর চেয়ে 'শক্ত গালি' আমার কাছে ছিলো না । এই ‘গালি’ যারা হজম করতে পারছে না তারা এবং কিছু তথাকথিত  নব্য ‘প্রগতিশীল’ ‘নারীবাদী’রা এই ফালতু ‘ক্যাম্পেইন’ করছে কেবলই আমাকে ‘পেইন’ দিতে…। তাতে কোনো লাভ নেই। আমি মোটেও বিচলিত নই। কারণ আমার দেহে এর চেয়ে অনেক ‘শক্ত পেইন কিলার’ আছে এবং সবসময় থাকবে ।’

এর আগেও গানটির শব্দ বা লাইন পরিবর্তনের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। সর্বশেষ পহেলা বৈশাখে রাজধানীর শাহবাগস্থ জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে এ লাইন পরিবর্তনের দাবি জানায় কিছু তরুণ। এ কারণে মনোক্ষুণ্ণ গায়ক মাকসুদ।

‘বখাটে ছেলের ভিড়ে ললনাদের রেহাই নাই’ লাইনটির পরিবর্তে কয়েকটি বিকল্প লাইনও উল্লেখ করেছেন প্রতিবাদকারীরা। এ রেশ ধরে মাকসুদ জানান, অত্যন্ত দুর্বল নমুনা এসেছে বহু জায়গা ও ফোরাম থেকে। তিনি লিখেছেন, “…আমার গানের লাইন অপরিবর্তিত রেখে একটা কাউন্টার ক্যাম্পেইন হতে পারে। ‘ললনারা দৌঁড়ান দিলে, বখাটেদের রেহাই নাই’।”

মাকসুদ যোগ করেছেন, নতুন লাইনটির ‘মেধাসত্ত্ব অধিকার’ তার নিজের।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে