লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ | BD Times365 লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ | BdTimes365
logo
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:১২
লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ
অনলাইন ডেস্ক

লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে যা বললেন মাহমুদউল্লাহ

রাওয়ালপিন্ডি যাওয়ার আগে এমন হাওয়াও ছিল যে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ব্যাটিং অর্ডার বদলানো হবে না এবং সে জন্য মুশফিকুর রহিমকেও দলে জায়গা দেওয়া হবে না। কিন্তু পাকিস্তানের কাছে টেস্টে বিধ্বস্ত হয়ে ফেরার পর হাওয়া বদলও হয়ে গেছে। পরিবর্তনের সে হাওয়ায় সবার আগে উড়ে যাচ্ছেন মাহমুদ উল্লাহ। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া জিম্বাবুয়ে টেস্টের দলে তিনি যে থাকছেন না, তা একরকম নিশ্চিত। সেই খবর আনুষ্ঠানিক হওয়ার আগেই আরেকটি বড় ধাক্কাও এসেছে তাঁর জীবনে। টেস্ট থেকে অবসর নেওয়ার পরামর্শও তো দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

যেটি খোদ জাতীয় দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোই দিয়েছেন বলে জানা গেছে। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে ফাস্ট বোলার নাসিম শাহর হ্যাটট্রিক বলে বাজে শটে উইকেট বিলিয়ে আসার পরই লাল বলের ক্রিকেটে দলে তাঁর জায়গা নিয়ে প্রশ্ন আরো উচ্চকিত হয়। এর ধারাবাহিকতায়ই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) শীর্ষমহল মাহমুদ উল্লাহর সঙ্গে কথা বলার দায়িত্ব দেয় ডমিঙ্গোকে। এই দক্ষিণ আফ্রিকান তাঁকে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে সাদা বলের ক্রিকেটে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। অবশ্য মাহমুদও নিজের সিদ্ধান্ত তৎক্ষণাৎ জানিয়ে দিয়েছেন বলে একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অবসর না নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথাই বলেছেন ডমিঙ্গোকে।

ডমিঙ্গো তাঁকে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে সাদা বলের ক্রিকেটে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। অবশ্য মাহমুদও নিজের সিদ্ধান্ত তৎক্ষণাৎ জানিয়ে দিয়েছেন বলে একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অবসর না নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথাই বলেছেন ডমিঙ্গোকে।

এ রকমই বলার কথা তাঁর। মাসখানেক আগে মাশরাফি বিন মর্তুজার অবসর ভাবনা নিয়ে যখন সরগরম ক্রিকেটাঙ্গন, তখন সে প্রসঙ্গে ক্রিকেটারের স্বাধীনতা থাকা উচিত বলেই মন্তব্য করেছিলেন তিনি। গত ১৩ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু বিপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে মাশরাফির ঢাকা প্লাটুনকে হারানোর পর চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স দলের অধিনায়ক বলেছিলেন, ‘কারো কথায় আমি খেলা শুরু করিনি। কারো কথায় ছাড়ার পক্ষেও নই। আমি যদি মনে করি যে এখন আমার থামা উচিত, তাহলে আমি খেলব না। যেহেতু এটি একান্তই আমার বিষয় এবং আমার ক্রিকেট, তাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্তের স্বাধীনতাও আমাকেই দেওয়া উচিত বলে মনে করি।’ ডমিঙ্গোর সঙ্গে আলাপেও সেই মনোভাবই পোষণ করে আপাতত টেস্ট দলের বাইরে ছিটকে পড়তে যাচ্ছেন মাহমুদ।

সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও দলে জায়গা হারানোর মতোই। আর মুশফিক জিম্বাবুয়ে টেস্টে ফিরছেন বলে মাহমুদের জায়গা পাওয়াও মুশকিল হয়ে পড়েছে। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে তামিম ইকবালের ওপেনিং সঙ্গী সাইফ হাসানকে সুযোগ দিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতী সংশ্লিষ্টরা। খুব বড় ইনিংস না খেললেও নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটিং নিয়েও কোনো অসন্তোষ নেই বলে জানা গেছে। সে ক্ষেত্রে ৪৪ ও ৩৮ রানের দুটো ইনিংস খেলা এই বাঁহাতিকে তিন নম্বর থেকে সরানোর ভাবনা নেই। তাঁকে জায়গা দিতে চারে চলে যাওয়া অধিনায়ক মমিনুল হকের পর পাঁচ নম্বরে মুশফিক। পাকিস্তান টেস্টে দলের হয়ে একমাত্র ফিফটি করা মোহাম্মদ মিঠুনের জায়গাও থাকছে, থাকছেন লিটন কুমার দাসও। ব্যাটিং অর্ডারের এই সাতজন ঠিক হয়ে যাওয়ার পর তাই আপাতত টেস্ট দলে মাহমুদ উল্লাহর জায়গা নেই। সেই জায়গা আবার বের করতে লড়াইও করে যাবেন তিনি।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম