আপডেট : ৩১ মে, ২০১৬ ১৯:১৫

গোটা দ্বীপই উধাও!

অনলাইন ডেস্ক
গোটা দ্বীপই উধাও!

১৯৭০-এর দশকেও দ্বীপটি দিব্যি বিরাজ করছিল। বিংশ শতকের সমস্ত মানচিত্রেই মেক্সিকো উপসাগরে তাকে দেখানো হয়েছে। মেক্সিকোর ২০০ নটিক্যাল মাইল ইকোনমিক জোন-এর সূচক হিসেবে পরিচিত ছিল বারমেহা নামের এই দ্বীপটি। কিন্তু ২০ বছর পরে দ্বীপটির আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। বেমালুম যেন উবেই যায় একটা আস্ত দ্বীপ।

দ্বীপটি নিরুদ্দেশ হওয়ার পরে জানা যায়, তার সঙ্গে উধাও হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। এই নথিগুলির ভিতরে নাকি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের তৈলসম্পদ বিষয়ক চুক্তির কাগজপত্রও ছিল।


 
প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, এই নথিগুলিকে উধাও করার জন্যই কি দ্বীপটিকে লোপাট করা হয়েছে? সন্দেহের তির ঘুরে যায় সিআইএ-র দিকে। এই তৈলসম্পদের উপরে মার্কিন আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে ওই নথিগুলিকে লোপাট করাটা একান্ত জরুরি ছিল বলে মত প্রকাশ করেন বেশ কিছু বিশেষজ্ঞ।

এই ষড়যন্ত্র-তত্ত্ববাদীদের মতে, মার্কিন ষুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিক জোন-এর সম্প্রসারণের প্রয়েজনেই নাকি সিআইএ দ্বীপটিকে উড়িয়ে দেয়।


১৯৯৮ সালের মেক্সিক্যান আইল্যান্ড সংক্রান্ত একটি বইয়ে দ্বীপটিকে উল্লেখ করা হয়। অথচ তার আগের বছরেই এক দল শখের মাছ-ধরিয়ে দ্বীপটির অনুসন্ধান করে ব্যর্থ হন। ১৫৫৩ থেকে ১৭৭৭৫ সালের বিভিন্ন মানচিত্রে বারমেহার স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়।

১৭৭৫-এর পরে আশ্চর্যজনকভাবে দ্বীপটিকে কোনও মানচিত্রে দেখানো হয়নি। আবার, ১৮৫৭ সালের একটি মার্কিন মানচিত্রে দ্বীপটি ফিরে আসে। জানা যায়, ১৯৯৭ সালে মেক্সিকোর সরকার  দ্বীপটির একপ্রস্থ খোঁজখবর করেছিল, কিন্তু তাতে কোনও ফল হয়নি।

২০০৯ সালে আর একবার খোঁজ চলে দ্বীপটির। তখন অনেকে মন্তব্য করতে থাকেন, দ্বীপটি নাকি আদৌ ছিল না। বারমেহার রহস্য আজও ছায়াবৃতই থেকে গিয়েছে।

উপরে