আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২১:১০

প্রেমের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জাদুকরি টোটকা, জেনে নিন...

অনলাইন ডেস্ক
প্রেমের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জাদুকরি টোটকা, জেনে নিন...

প্রেমের চেয়ে নাকি সুখের অনুভুতি আর হয়ই না। কিন্তু এই প্রেম বড়ই জটিল জিনিস। প্রেম করতে গেলে শুধু ভালোবাসা থাকলেই হয় না, আরও লাগে বুদ্ধি, ধৈর্য্য, ত্যাগ এবং সহ্যশক্তি। তবে এই বিষয়গুলি শুধু একজনের মধ্যেই থাকলে হয় না। থাকতে হবে দুজনের মধ্যেই। কারণ পারস্পরিক বোঝাপড়া যদি ঠিক না থাকে তবে পৃথিবীর কোনো সম্পর্কই ধরে রাখা সম্ভব নয়।

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ভয়ে প্রথম দিকে অনেক কিছু মেনে নেন বা মানিয়ে নেন। কিন্তু কিছুদিন কেটে গেলেই এটা নিয়ে মনের মধ্যে জমতে থাকে ক্ষোভ। আর সেই ক্ষোভই একসময় তীব্ররূপ নিয়ে ভেঙে দেয় সম্পর্ক। তাই শুরুর দিন থেকে যে কোনও সম্পর্কের কয়েকটা দিক মাথায় রাখা জরুরি-

কখনো মিথ্যা নয়

মাঝেমধ্যেই সঙ্গীকে খুশি করতে বা সম্পর্ক ভালো রাখার খাতিরে ছোটখাটো মিথ্যা বলতে হয়। তবে তাই বলে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে  মিথ্যা বলা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই কখনো এই বিষয়টি সহ্য করবেন না। কারণ, কেউ একবার মিথ্যা বলা শুরু করলে বাব বার বলতে দ্বিধা করবে না।

প্রতারণা মেনে নেবেন না

সঙ্গী যদি প্রতারণা করে, তা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায়না। প্রতারণাকে ক্ষমা করে দেওয়া মানে সেটাকে মেনে নিয়ে প্রশ্রয় দেওয়া। আর এটাকে প্রশ্রয় দেওয়া মানে হলো তাকে এই অন্যায়ের সুযোগ দ্বিতীয়বার করে দেওয়া।

নির্যাতন

অনেকেই আছেন যারা সঙ্গীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। এটা চরম লজ্জা এবং অপমানের। আর এই অন্যায়ে কোনো ক্ষমা হয়না। কোনো বিষয়ে বনিবনা না হলে সেটা সমাধানের চেষ্টা করুন। তা না হলে কিছুদিন দুরত্ব রেখে চলুন। এতে করে সমস্যা কমে। কিন্তু তাই বলে শারীরিক নির্যাতন কখনোই না। মানসিকভাবেও কোনো নির্যাতন কখনো গ্রহণযোগ্য নয়।

অসম্মান

সঙ্গীকে অসম্মান করা অনেকেরই অভ্যাস থাকে। পরিবারের বা বাইরের লোকদের সামনে অনেকেই অসম্মান করে কথা বলেন। এটা খুবই লজ্জাজনক। সঙ্গী এমন আচরণ করলে কোনোভাবেই তা মেনে নেওয়া উচিত নয়।

বাঁধা

সকলেরই নিজের মতো কিছু স্বপ্ন থাকে। আর একজন ভালো সঙ্গী কখনোই সেই স্বপ্নের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে না, বরং এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দেবে। কিন্তু  যখন সঙ্গী এ বিষয়ে সমস্যা তৈরি করছে তখন সহ্য না করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

হস্তক্ষেপ

অনেক সময়ই সঙ্গী ব্যক্তিগত বিষয়ে বড্ড বেশি হস্তক্ষেপ করেন। যেমন কার সঙ্গে ফোনে কথা বলছো, বা অফিসে কার সঙ্গে চা খেতে যাচ্ছো, না বলে বের হলে কেন ইত্যাদি ইত্যাদি। এই ছোটখাটো বিষয়গুলিই অনেক সময় ঝগড়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সব ক্ষেত্রে প্রথমেই রুখে দাঁড়ানো উচিৎ। নিজের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো একেবারেই নিজের জিনিস, এগুলোতে একবারেই কাউকে নাক গলাতে দেওয়া উচিৎ নয়।

কিছু সময়ে কঠোরভাবে ‘না’ বলতে শিখুন। তাতে যদি আপনার জীবন থেকে কেউ চলে যায়, তার পরোয়া না করাই মঙ্গল। কারণ সবসময় মনে রাখা উচিৎ যে ভালবাসবে সে কখনই খারাপ ব্যবহার করবে না। বরং চেষ্টা করতে হবে সবসময়, চাইতে হবে সব বিষয়ে পাশে দাঁড়ক সে। তবে সমস্যার সীমা অতিক্রম করলে মুখ বুঁজে না থেকে প্রতিবাদ করতে হবে।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে