আপডেট : ৫ এপ্রিল, ২০২১ ২১:১৪

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আহ্বান ব্যবসায়ীদের

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আহ্বান ব্যবসায়ীদের

স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্দিষ্ট সময়ে দোকান খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পুরান ঢাকার ইসলামপুরের বস্ত্র ব্যবসায়ীরা। আজ সোমবার থেকে সরকারঘোষিত সপ্তাহব্যাপী লকডাউনে দোকান বন্ধ রাখার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে এই দাবি জানান ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুরান ঢাকার ইসলামপুর-পাটুয়াটুলী প্রধান সড়কে শতাধিক দোকানের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে ঘটনাস্থলে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ উপস্থিত হয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সরিয়ে দেয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা বিক্ষোভ করলে আমরা তাঁদের বিস্তারিত বুঝিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হই। তাঁরা সরকারি নির্দেশনা মেনে চলবেন।’

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বস্ত্র ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা বলেন, সামনেই রমজান মাস, এরপরে আসবে ঈদ। ব্যবসার ভরা মৌসুম এখন। তাই ঈদ উপলক্ষে লকডাউন শিথিল করে যেন বৃহত্তর পাইকারি বস্ত্র কেনাবেচার জন্য সুযোগ করে দেয় সরকার।এদিকে ইসলামপুর বস্ত্র ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নেসার উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। তবে আমরা গতকাল সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় যেন দোকান খোলা রাখা যায়। কারণ ইসলামপুরে দেশের বৃহত্তর পাইকারি বাজার। ঈদের সময় আমাদের সবচেয়ে বেশি কেনাবেচা চলে। আর ঈদ উপলক্ষে এখনই বেচাকেনার মুখ্য সময়। এর মধ্যে লকডাউনে আমাদের ক্ষতি হবে।’

এদিকে লকডাউনের প্রথম দিনে পুরান ঢাকা ছিল অনেকটা আগের মতোই স্বাভাবিক। করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আজ থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। তবে এর বিশেষ কোনো প্রভাব লক্ষ করা যায়নি পুরান ঢাকায়।

পুরান ঢাকার বিভিন্ন প্রধান সড়ক ঘুরে অন্য দিনের মতো যানজট দেখা যায়। প্রধান সড়কগুলোর আশপাশের দোকানপাট বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন পাড়ার অলিগলির দোকানগুলো খোলা হয়েছিল। অনেককে প্রয়োজন ছাড়া স্বাস্থ্য বিধি না মেনে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়।

উপরে