আপডেট : ১ জুলাই, ২০২১ ১১:৪৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি দিবস আজ

আজ ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি দিবস। শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র এবং জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ণ করতে যাচ্ছে তার শততম বছর। দিবসটি উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাস সেজেছে বর্ণিল সাজে। কার্জন হল, কলাভবন, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রসহ (টিএসসি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভবনকে সাজানো হয়েছে নানা রঙ-বেরঙের বাতি দিয়ে।

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল থেকে সীমিত পরিসরে প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে বিশেষ এ দিনটি উদযাপিত হবে।

শতবর্ষের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীরই ছিল নানামুখী ভাবনা। অন্যান্য বছরের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে যেমন বর্ণাঢ্য আয়োজন হতো এবার সেটিও সম্ভব নয়। যেখানে শতবর্ষকে চিন্তা করে কত স্বপ্ন লালন করে আসছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সেই আবেগ অনেকটা ভেস্তে গিয়েছে মহামারি করোনার প্রভাবে।

শিক্ষা ও গবেষণার বিস্তার, মুক্তচিন্তার উন্মেষ ও বিকাশ এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নতুন ও মৌলিক জ্ঞান সৃষ্টির লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩টি অনুষদ, ১২টি বিভাগ, ৬০জন শিক্ষক, ৮৪৭জন শিক্ষার্থী এবং ৩টি আবাসিক হল নিয়ে ১৯২১ সালের ১ জুলাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ তার কলেবর ও পরিসর অনেক বড়। বর্তমানে ১৩টি অনুষদ, ৮৪টি বিভাগ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ১৯৮৬জন শিক্ষক, প্রায় ৪৭হাজার শিক্ষার্থী এবং ১৯টি আবাসিক হল ও ৪টি হোস্টেল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়াও রয়েছে দেড় শতাধিক বিভিন্ন একাডেমিক ঘরানার অধিভুক্ত/উপাদানকল্প শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

দেশসেরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তিতে এখন অভাব শুধুই শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সবাই মিলে উদযাপনের। করোনার ভয়াল থাবার শতবর্ষ পূর্তির উদযাপনে ভাটা পড়েছে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ নিয়ে চিন্তা ছিল যে ওইদিন আমরা অংশ নিতে পারবো। আমরা ইতিহাসের অংশ হবো। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে আমরা গত দেড় বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পা-ও রাখতে পারছি না।

ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, জ্ঞান আহরণ ও বিতরণের গৌরবগাঁথা নিয়ে আজ শতবর্ষ পাড়ি দিয়েছে আমাদের প্রাণপ্রিয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পুরো বিশ্ববিদ্যালয় বর্ণিল করা হয়েছে কিন্তু দু:খ এখানেই যে এই বিশেষ দিবসটি আমরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী সবাই এক হয়ে উদযাপন করতে পারছি না৷ কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই উন্নয়নে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব উপযোগী বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে আমরা এগিয়ে চলছি।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/রাসেল

উপরে