আপডেট : ৪ জুলাই, ২০১৮ ১৫:৪৩

আপনার স্মার্টফোনকে সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক
আপনার স্মার্টফোনকে সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন

আপনার এতো প্রিয় স্মার্টফোনটি নিশ্চয়ই আপনি সবসময় সুরক্ষিত রাখতে চান। কিন্তু আপনার না জানার কারণে অনেক সময়েই ফোনটি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। কিন্তু আমরা চাইলেই খুব সহজেই একটু সাবধানতা অবলম্বন করে ফোনটিকে সুরক্ষিত রাখতে পারি এভাবে-

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার রাখতে হবে

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ক্ষমতা একটি কম্পিউটারের সমানই বলা যায়। এই ফোন দিয়েই এখন কম্পিউটারের সব কাজই করা যায় মোটামুটি। আর কম্পিউটারের মতোই সহজেই স্মার্টফোনটি ভাইরাসের কবলে পড়তে পারে। এজন্য অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটিতে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল দিয়ে নিন।

নিরাপদ অ্যাপ্লিকেশনগুলো ডাউনলোড করুন

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য রয়েছে বিশেষ সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন। আমরা প্রয়োজনের বাইরে ভুল করে অনেক সময়ে ক্ষতিকর অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে ফেলি। এজন্য কোনো অ্যাপ্লিকেশন বা সফটওয়ার ডাউনলোড করার আগে এর নির্মাতা ও প্রদানকারী সাইট সম্পর্কে জেনে নিন। সেগুলোর ব্যবহার নিয়েও একটু নিশ্চিত হন।

অপরিচিত এবং অপ্রয়োজনীয় এসএমএস মুছে ফেলুন

অনেক সময়ে স্মার্টফোনে টেক্সট মেসেজ বা এসএমএস-এর মাধ্যমে ভাইরাস আক্রমণ করে। অনেক সময় দেখা যায় যে আমাদের স্মার্টফোনটিতে অপরিচিত নাম্বার থেকে জানানো হয় যে ফোনটি ভাইরাসে আক্রান্ত। সেটা খুললেই ফোনটিতে ঢুকে যেতে পারে ভাইরাস। তাই অপরিচিত নম্বর থেকে একটু সাবধান।

কিছু সাবধানতা

অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করার সময় নিশ্চিত হন অ্যাপ্লিকেশনটির নির্মাতা সম্পর্কে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিন। আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি নকল হতে পারে, সেটা নিশ্চিত হন। নকল অ্যাপে থাকতে পারে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার। তাতে আপনার পুরো ফোনটি বিগড়ে যেতে পারে।

অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) আপডেট রাখুন

কিছুদিন পরপরই ফোনের জন্য নির্দিষ্ট আপডেটেড ওএস বের হয়। এটি দিয়েই নিশ্চিত হওয়া যায় আমাদের স্মার্টফোনটির নিরাপত্তা সম্পর্কে। আপডেটেড ওএস সবসময় স্মার্টফোনকে সুরক্ষিত রাখে। তাই পুরনো ভার্সন ফেলে নতুন ভার্সনের ওএস আপডেট করে নিন।

ক্লাউড স্টোরেজ বিষয়ে সাবধান

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধাটি ব্যবহার করে সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। তবে এর ব্যাপারে একটু সাবধানতা দরকার। তাই ক্লাউড স্টোরেজের সঙ্গে একাধিক ফিচার ব্যবহার না করে পর্যাপ্ত ফাইল শেয়ার করা ভালো।

ডাটার ব্যাকআপ রাখুন

আমাদের ফোনটি কখন হারিয়ে যায় বা চুরি হয় তা আমরা বুঝিনা। ফোনের সঙ্গে সঙ্গে ফোনের যাবতীয় মূল্যবান ও ব্যক্তিগত তথ্যও হারিয়ে যায়, সেগুলো চলে যায় অন্যের কাছে। এই সমস্যায় পড়ার আগে ব্যাকআপ রাখুন। ফলে হারালেও ফিরে পাবেন আপনার দরকারি তথ্যগুলো।

ফোনে আর্থিক লেনদেন করুন সাবধানে

আমরা এখন হরহামেশাই স্মার্টফোন দিয়ে অর্থ আদানপ্রদান করি। তবে এটা না করাই ভালো। কেননা এর মাধ্যমেই ক্রেডিট কার্ডজনিত যেকোনো তথ্য অন্যের হাতে পড়ার ভয় থেকে যায়। তাই ফোনের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন সহজ হলেও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।

ডাটা এনক্রিপ্ট করুন

ডাটাকে গোপন কোডে পরিণত করাই মূলত এনক্রিপশন। এনক্রিপশন ব্যবহার করে ফোন চালানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এনক্রিপশন ব্যবহার করে ডাটার নিরাপত্তা বাড়ানো সম্ভব। কারণ এনক্রিপটেড ডাটাতে প্রবেশ করতে পাসওয়ার্ডের দরকার হয়। অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এই সুবিধা পেতে সেটিংস থেকে সিকিউরিটি অপশন সিলেক্ট করে এনক্রিপ্ট চালু করা যায়। যে কেউ আর এতে ঢুকতে পারবে না।

পাসকোড চালু করুন

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনকে সুরক্ষিত রাখতে আমাদের উচিৎ পাসকোড বা প্যাটার্ন লক ব্যবহার করা। পাসকোড যদি সংখ্যা দিয়ে হয় তাহলে কোডটিকে চার ডিজিটের বেশি রাখবেন অবশ্যই। পাসওয়ার্ড বড় হলে সেটি বেশি নিরাপদ।

বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

উপরে