আপডেট : ৪ মে, ২০১৬ ২১:১৩

ফুটফুটে শিশুর মতো সাজানো এক স্বপ্নপুরী!

অনলাইন ডেস্ক
ফুটফুটে শিশুর মতো সাজানো এক স্বপ্নপুরী!
হিমালয়ের কোলে দার্জিলিং যেন এক ফুটফুটে শিশুর মতো৷ ‘দেখে দেখে আঁখি না ফেরে'-র মতো অবস্থা৷ বছরশেষে আপনার পাওনা ছুটির সঙ্গে মাত্র ২-১ টা বাড়তি দিন যোগ করলেই ঘুরে আসতে পারবেন দার্জিলিং থেকে৷ অনেকের কাছেই আজও অদেখা এই সুন্দর জায়গাটা৷ যে কোনও ট্যুরিস্ট এই পাহাড়ি জায়গাটা পছন্দ করতে বাধ্য৷ ট্রেকিং করতে আগ্রহী হলে তো কথাই নেই৷ নভেম্বর এবং ডিসেম্বরের প্রথমদিকে গেলে পুরোপুরি এনজয় করা সম্ভব৷ 
দার্জিলিংয়ের প্রাণকেন্দ্র বলা যায় ‘ম্যাল'-কে৷ দোকানপাট, নামী-দামি হোটেল দিয়ে সাজানো যেন এক স্বপ্নপুরী৷ সুন্দর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাস্তাঘাট৷ শপিংয়ে পাগল লোকদের আদর্শ কেনাকাটার জায়গা এটি৷ দার্জিলিং-এ গেলে যে কোনও ট্যুরিস্টকে একবার এখানে আসতেই হবে৷ এখানে চড়ে নিতে পারবেন ঘোড়ায়ও৷ এখান থেকে দেখা যায় দূরে কাঞ্চনজঙ্ঘার তুষারাবৃত শৃঙ্গ৷ সন্ধেবেলা যখন চতুর্দিকে আলো জ্বলে, জায়গাটার যেন স্বর্গীয় রূপ ফুটে ওঠে৷ ম্যালের কাছেই যে অবজারভেটরি হিল আছে, সেখান থেকে আর কেউ বা কোনকিছু বাধার সৃষ্টি করতে পারে না কাঞ্চনজঙ্ঘার অনুপম সৌন্দর্য উপভোগ করায়৷ এখান থেকেই দেখে নেওয়া যায় মহাকাল মন্দির যা হিন্দু এবং বৌ উভয় সম্প্রদায়ের কাছেই পবিত্র স্থান হিসেবে চিহ্নিত৷ আসলে এক সময় এখানে ছিল বৌমঠ৷ বর্তমানে শিবমন্দির৷ মন্দির চত্বর আলো করে ঝোলানো নানারকম পতাকা৷ মহাকাল মন্দির দেখে পায়ে পায়ে এগিয়ে যাওয়া যেতে পারে ন্যাচরাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম-এ৷ বিভিন্ন্ পশু, পাখি, মাছ ইত্যাদির দেহ সংরক্ষণ করা আছে এখানে৷ বাড়ির কচিকাঁচা সঙ্গে থাকলে তো অবশ্যই যেতে হবে৷ আত্মীয় বন্ধুদের জন্য কিছু কেনার থাকলে এখান থেকে যেতে হবে  
উপরে